কাননে ফুটেনি পুষ্প রাজি, তাহার স্পর্শের বাহিরে
কবু চিন্তায় আসেনি রজনী, তাহার সৌরভ সাজে।
কেহবা কহে স্থির চিন্তায় বাতায়নের ওপাশে বসিয়া,
কেহবা আবার সখি আসিবে বলিয়া রহিয়াছে চাহিয়া।
তব চিন্তায় আসে নাক ঘুম ধীর স্থির মনোবল,
কবু কি আসিবে সে জনা মোর? তব আত্মার বন্ধনে চল।
কব তাহারে দিলের ছোট্ট কুড়েঁঘর সাজানো সে পথের অনুকূলে
আসিবে সেথায় কথিত গল্পের ডিঙি বেয়ে,
এবার স্বপ্নের সাথে চল রে!
খুঁজিস যেথায় উঁচু সুর করিস না কেন বাহিরে?
তবে কি তাহা দিলের মিলন, চাইলেই মিলিবে তাহারে!
কতশত ডুরে বাধিয়া ছিনু ক্ষুদ্র নাটাইয়ের কোনে,
মান সম্মান নাকি চলিয়া যাইবে বলেছে জনে জনে।
আধাঁর নামিয়া আসিল পথের পানে চেয়ে,
ফিরিয়া আসিবে সেদিন জানি ঘুম ভাঙানোর দিন বেয়ে।
নিরবে নিবৃতে কাটিছে সময় লন্ঠন জ্বালাইয়া কাটিছে রাত্রী,
আদু ভাইয়ের গল্প আজি মোর পথের যাত্রী।
হাত বাড়িয়ে বসিয়া থাকিলে ভিখারী বলিবে লোকে,
তব আজও বসিয়া থাকি প্রিয়জনা আসিবার পথে ।
দিন যাইতেছে দিনের মতই, কষ্ট অপরাহ্নে;
বুঝিবার নেই কেহ, তব খুজিতেছি হয়ে হন্নে।
খাট-পালঙ্কে যায়না থাকা, বিশাল মনে হয়;
রাত্রী কাটে একা একা, মনেতে বিষণ ভয়।
শেষ বেলাতে তরুতে যখন গজাবেনা কোন পাতা,
তখন অহেতুক কেন চিন্তা করিবে ভবিষ্যতের কথা?
সময়ের সাথে জীবনের যদি মূল্য পেতে চাও,
তবে সু-সময়ের বৃক্ষের তুমি পাতার সন্ধ্যান লও।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here